রবিবার, ১০ই জুন, ২০১৮

বাংলাদেশে সামরিক এলাকায় হাতবোমা হামলা, জখম ৬

নিউজ টাইম কলকাতা ডট কম
ডিসেম্বর ১৮, ২০১৫
news-image

বাংলাদেশে একের পর এক হাতবোমা হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার চট্টগ্রামের সংরক্ষিত সামরিক এলাকায় নৌ বাহিনীর ঘাঁটিতে শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের সময় মসজিদে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এতে ৬ জন জখম হয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তাৎক্ষণিকভাবে দুই জনকে আটক করে জনতা। যাদের মধ্যে একজন আবার নৌ বাহিনীরই কর্মী।

দুইটি গ্রেনেড ছোঁড়ার পর তৃতীয় গ্রেনেডটি ছোড়ার সময় স্থানীয় মুসল্লিরাই তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। বাংলাদেশে সামরিক বাহিনীর ওপর এধরনের হামলার ঘটনা খুবই বিরল।

যে মসজিদটিতে হামলা চালানো হয়েছে সেটি অত্যন্ত সংরক্ষিত একটি এলাকায়। সাধারণ লোকজনের সেখানে প্রবেশাধিকার নেই, শুধু  সামরিক বাহিনীর কর্মীরাই সেখানে নামাজ পড়তে যান।

Ctg-3হামলার পর ওই মসজিদটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‌্যাব ওই এলাকাটি ঘিরে রেখেছে। সেখানে আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে। পুলিশ বলেছে, আটক ওই ব্যক্তি টে·টাইল ইঞ্জিনিয়ারের ভুয়া সার্টিফিকেট দেখিয়ে নৌবাহিনীতে চাকরি নিয়েছিলেন।

পতেঙ্গায় ঈশা খা ঘাঁটিতে এই হামলার ঘটনায় চট্টগ্রাম পুলিশের কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ হাজারী বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, নামাজ শুরু হওয়ার পর প্রথম রাকাতেই এই হামলা চালানো হয়। সুরা ফাতিহা পড়ার পরই দুইটি ‘গ্রেনেড’ ছুঁড়ে এই হামলা চালানো হয়েছে। সেখান থেকে অবিস্ফোরিত আরো তিনটি গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, হামলার সময় মসজিদে দুইশ জনের মতো মুসল্লি নামাজ পড়ছিল বলে তারা জানতে পেরেছেন। এই ঘটনায় মিজান নামে নৌবাহিনীর একজন ব্যাটম্যানকে আটক করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

পুলিশ কর্তা হারুনুর রশিদ হাজারী বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তোলার জন্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন।  বোমা হামলায় আহতদের ৫ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মারাত্মক জখম একজনকে হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রামের সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।