বৃহস্পতিবার, ১৪ই জুন, ২০১৮

নির্ভয়ার ধর্ষককে মুক্তি রদের সুপ্রিম কোর্টে আর্জি খারিজ

নিউজ টাইম কলকাতা ডট কম
ডিসেম্বর ২১, ২০১৫
news-image

দিল্লি মহিলা কমিশনের আর্জি খারিজ। দিল্লি গণধর্ষণে দোষী নাবালকের মুক্তিতে স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিমকোর্ট।
মেয়ে-হারানোর যন্ত্রণায় যখন ছটফট করবে মা-বাবা, তখন খোলা বাতাসেই নিঃশ্বাস নেবে তার ধর্ষক-খুনি! সোমবার সুপ্রিমকোর্টের রায়ের পর এমনটাই নিশ্চিত হয়ে গেল! দুর্বল আইনের ফাঁক গলে রেহাই পেয়ে গেল নৃশংস এক অত্যাচারী! তিনবছর আগের এক রাতে, এক তরুণীর উপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছিল যে!

দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ডে নাবালক ধর্ষকের মুক্তি আটকাতে শনিবার মধ্যরাতে সুপ্রিমকোর্টের দরজায় কড়া নাড়ে দিল্লি মহিলা কমিশন। সেইমতো সোমবার শুনানিও হয়। কিন্তু, আধ ঘণ্টার শুনানিতে নাবালকের রেহাই রুখে দেওয়ার কোনও পথই পায়নি বিচারপতি এ কে গোয়েল এবং বিচারপতি ইউ ইউ ললিতের অবকাশকালীন বেঞ্চ। শুনানি শেষে দিল্লি মহিলা কমিশনের আর্জি খারিজ করে দিয়ে সর্বোচ্চ আদালত বলে,‍আমরা মহিলা কমিশনের উদ্বেগ বুঝতে পারছি। কিন্তু, আমরা আইনের বাইরে কিছু করতে পারি না। আমাদের কাজ আইনের বিধান অনুযায়ী বিচার করা। এর জন্য স্পষ্ট আইন দরকার।

সুপ্রিম কোর্টের এদিনের রায়ের পর নিশ্চিত হয়ে গেল, একটি মেয়ের জীবন শেষ করে দিয়েও, বহাল তবিয়তেই ঘুরে বেড়াবে এই ছেলেটি। কারণ, অপরাধের সময় যে নাবালক ছিল! রায়ের পর ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন জ্যোতির মা-বাবা।তবে, এত সহজে হাল ছাড়তে নারাজ দিল্লি মহিলা কমিশন! দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রাজ্যসভায় এ সংক্রান্ত আইন বকেয়া থাকায় ক্ষোভ ব্যক্ত করে বলেছেন, আজ দেশের পক্ষে কালো দিন।তিনি বলেছেন, মোমবাতি নয়। এবার মশাল ধরতে হবে।

মোমবাতি হোক বা মশাল! লড়াই হয়তো চলবে। কিন্তু, এসবের মাঝেই মুক্ত জীবন কাটাবে সেই ব্যক্তি, যার নৃশংসতা শেষ করে দিল একটা মেয়ের জীবন, একটা গোটা পরিবারকে!