সোমবার, ১১ই জুন, ২০১৮

কেতুগ্রামে হামলা সেলিমের গাড়িতে, কান্দিতে আক্রান্ত সিপিএম কর্মীরা

নিউজ টাইম কলকাতা ডট কম
জানুয়ারি ২০, ২০১৬
news-image

কেতুগ্রাম: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়েরর সতর্কবার্তার পরেও বিরোধীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলকর্মীদের বিরুদ্ধে! এক দিনে রাজ্যের দু’জায়গায় আক্রান্ত হল সিপিএম।

বর্ধমানের কেতুগ্রামে মহম্মদ সেলিমের গাড়িতে হামলার অভিযোগ। বাস থামিয়ে সিপিএম কর্মীদের মারধর। কেতুগ্রামে সিপিএম কর্মীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেলিমের সভায় যাওয়ার পথে মুর্শিদাবাদের কান্দিতেও আক্রান্ত সিপিএম কর্মীরা। দুটি ক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসক দল। প্রতিবাদে অবরোধ হয়, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ান সিপিএম কর্মীরা।

বুধবার বর্ধমানের কান্দরা থেকে ফুটিসাকো পর্যন্ত পদযাত্রা করে সিপিএম। মিছিল শেষে জনসভা করেন সেলিম। অভিযোগ, সভা সেরে সেলিম যখন ফিরছিলেন, তখন তাঁর গাড়ির ওপর হামলা চালায় শাসক দলের কর্মীরা। সেলিমের সভা ফেরত সিপিএম কর্মীদের বাসেও হামলা হয়। জখম হন ৫ জন। প্রতিবাদে কেতুগ্রামে পথ অবরোধ করে সিপিএম। লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও এখনও কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

বর্ধমানে সেলিমের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে মুর্শিদাবাদের কান্দিতেও আক্রান্ত হন সিপিএম কর্মীরা। অভিযোগ, বাস ভাঙচুরের পাশাপাশি তাঁদের বেধড়ক মারধর করে তৃণমূলকর্মীরা। প্রতিবাদে বড়োঁয়ার বাহাদুরপুর মোড়ে অবরোধে বসে সিপিএম। পুলিশ এলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ ডিসেম্বর কালীঘাটের বৈঠকে দলীয় নেতা-কর্মীদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা দেন, বিরোধীদের সঙ্গে সংঘাতে যাবেন না। নিজেদের মধ্যে ঝাগড়াঝাটি করবেন না। নির্বাচন কমিশন সব নজর রাখছে। বিরোধীরা একটা সভা করলে প্রয়োজনে ১০টি সভা করুন। কিন্তু, অন্যের কর্মসূচিতে বাধা নয়।

কিন্তু তারপরও বাধা এসেছে। ১০ জানুয়ারি কেশপুরে দেড় বছর পর মিছিল করে সিপিএম আক্রান্ত হয়। ঘটনায় সিপিএম জেলা সম্পাদক-সহ ৬ জন আহত হন।

এরই মধ্যে গত ১৬ তারিখ বামেদের সিঙ্গুর-শালবনি শিল্পজাঠার উদ্বোধন হয়। গত কয়েকদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জাঠা বেরোলেও কোথাও হামলার অভিযোগ সামনে আসেনি। অনেকেই কটাক্ষ করে বলছিলেন, কমিশনের ভয়ে ‘শান্ত ছেলে’ হয়ে গিয়েছে শাসক দলের কর্মীরা। কিন্তু তাল কাটল বুধবার। ভোটের মুখে ফের সিপিএমের ওপর হামলায় কাঠগড়ায় তৃণমূল।